আজ সোমবার | ১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ |১৪ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ১২:১২

যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালায়, তবে তা একটি পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক সংঘাতে পরিণত হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। রোববার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এ মন্তব্য করলেন তিনি। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
খামেনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নিয়মিতভাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের কথা বলে হুমকি দিচ্ছেন। তবে এসব হুমকিতে ইরানি জনগণ ভয় পাবে না। তিনি বলেন, ইরানি জাতি এসব ভীতি প্রদর্শনে বিচলিত হবে না।
তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো দেশের ওপর আক্রমণ শুরু করতে চাই না এবং আমরা আগ্রাসী নই। কিন্তু কেউ যদি ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় বা হয়রানি করে, তবে তার জবাব হবে কঠোর ও শক্তিশালী।
উল্লেখ্য, ইরানকে পারমাণবিক চুক্তিতে সম্মত করতে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি অব্যাহত রেখেছেন ট্রাম্প। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে নৌবাহিনীর উপস্থিতি জোরদার করেছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর ছয়টি ডেস্ট্রয়ার, একটি বিমানবাহী রণতরী এবং তিনটি লিটোরাল কমব্যাট শিপ মোতায়েন রয়েছে।
তবে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেও উভয় পক্ষই আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, তারা ন্যায্য আলোচনায় প্রস্তুত, তবে এমন কোনো শর্ত মানবে না যা তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সীমিত করে। অন্যদিকে ট্রাম্প শনিবার সাংবাদিকদের বলেন, ইরান গুরুত্বের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, আলোচনার আয়োজন প্রক্রিয়াধীন।
ট্রাম্প বলেন, আমি আশা করি তারা গ্রহণযোগ্য কিছুতে আলোচনা করবে। এমন একটি চুক্তি করা সম্ভব, যাতে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং উভয় পক্ষই সন্তুষ্ট হবে।
এদিকে, ইরানে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ প্রসঙ্গে খামেনি বলেন, এই আন্দোলন ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত একটি অভ্যুত্থান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, তথাকথিত এই ষড়যন্ত্রের লক্ষ্য ছিল দেশের শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা।
গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এসব বিক্ষোভ ধীরে ধীরে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জে রূপ নেয়। পরে কঠোর দমন-পীড়নের মাধ্যমে আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত হয়।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ১১৭ জন। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তারা ৬ হাজার ৭১৩ জনের মৃত্যুর তথ্য যাচাই করেছে। রয়টার্স এসব সংখ্যার স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।
রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
| সুবহে সাদিক | ভোর ৬:২২ পূর্বাহ্ণ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৭:৩৯ পূর্বাহ্ণ |
| যোহর | দুপুর ১:১২ অপরাহ্ণ |
| আছর | বিকাল ৪:২২ অপরাহ্ণ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৬:৪৫ অপরাহ্ণ |
| এশা | রাত ৮:০২ অপরাহ্ণ |