আজ মঙ্গলবার | ৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ |২৮শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি | বিকাল ৪:৫৬

শিরোনাম :

বিএনপি দিনাজপুর জেলা শাখা আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব তারেক রহমান খালটি চালু হলে কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে: দিনাজপুরে তারেক রহমান বস্তুনিষ্ঠ বুলেটিন ও তথ্য পরিবেশনে সংসদ গ্রন্থাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে —–ডেপুটি স্পীকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতি হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ,বেস লাইন হবে স্নাতক পাস : শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকল ধর্মের মানুষের জন্য শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ৫ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকরা প্রতিটি ওয়ার্ডে ফুটসাল খেলার সুবিধা নিশ্চিত করা হবে, যেন সব বয়সের মানুষ সহজেই খেলার সুযোগ পায়: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক শুধু বগুড়া নয় দেশের প্রত্যেকটি জেলার উন্নয়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সব পরিকল্পনা করে রেখেছেন:আতিকুর রহমান রুমন উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোকে মা, শিশু ও নবজাতকদের স্বাস্থ্যসেবার মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে : জুবাইদা রহমান

‘চীনের নেতাকে হোয়াইট হাউসে ডেকে তিরস্কার করতে পারবে না আমেরিকা’

প্রকাশ: ২ মার্চ, ২০২৫ ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ

আকার প্যাটেল : তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগ তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আক্ষরিক অর্থেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে তিরস্কার করার কয়েক ঘন্টা পর কী লেখা উচিত? ২০২৪ সালের নভেম্বরে অর্থাৎ মাত্র তিন মাস আগে রিপোর্ট করা হয়েছিল যে বাইডেন প্রশাসন রাশিয়ায় আক্রমণ করার জন্য ইউক্রেনকে আমেরিকার তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার ‘অনুমতি’ দিয়েছে।এর পরে রয়টার্স ‘রাশিয়ান আইন প্রণেতার দাবি ক্ষেপণাস্ত্রের সিদ্ধান্ত নিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন বাইডেন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে (শিরোনামটি পরে সংশোধিত করা হয়েছিল)। তার আগের মাস ২০২৪ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ব্যাংকার জেপি মরগানের উদ্ধৃত একটি শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে লেখা ছিল ‘পশ্চিমা শক্তি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হতে পারে’।

তিনি কেবল ইউক্রেনের যুদ্ধই নয়, গাজায় গণহত্যা এবং চীনের উত্থানকেও বৃহত্তর কিছু পরিবর্তনের জন্য অনুঘটক হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তাই ২৮শে ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বিখ্যাত ওভাল অফিসে যে সার্কাসটি দেখা গেল, সেটিই একমাত্র ঘটনা ছিল না যখন আমরা মানবজাতির সম্ভাব্য ধ্বংসের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি।

এই সব থেকে কী বোঝা যায়? প্রথমেই আসা যাক ডনাল্ড ট্রাম্প কী চান? আপাতদৃষ্টিতে এটা বলা কঠিন। কারণ তিনি সহজে অনেক কিছু নিয়ে কথা বলে দেন। ট্রাম্পের সমালোচকরা বলেন যে, তিনি আদপে বোকা এবং হিংস্র- কিন্তু দুবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী একজন ব্যক্তির সাথে এই পরিচয়ের মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। তাই ধরে নেওয়া যেতে পারে যে ট্রাম্প জানেন তিনি কী করছেন। এককথায় বলে যেতে পারে, আমেরিকান প্রেসিডেন্টের আসল লক্ষ্য চীন।

তিনি চীনের উত্থানকে বাধাগ্রস্ত করতে চান যাতে এটি ক্ষমতায় যুক্তরাষ্ট্রের সমান না হয়। তিনি চান ডলারই একমাত্র রিজার্ভ বৈশ্বিক মুদ্রা থাকুক এবং চীন যেন উৎপাদন ও রপ্তানির কিছু অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনে। আর তাই তার সমস্ত বৃহত্তর কর্মকাণ্ডকে চীন-বিরোধী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা উচিত।

পূর্ববর্তী প্রবৃদ্ধির হার বজায় থাকলে আগামী কয়েক দশকে চীন মার্কিন অর্থনীতির সমান হবে এবং তারপরে তাকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রাম্প তা হতে দিতে চান না। প্রথম মেয়াদে চীনের ওপর ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ যা বাইডেনের অধীনে যুক্ত করা হয়েছিল, যেমন উচ্চমানের কম্পিউটার চিপের উপর নিষেধাজ্ঞা (চীন যাতে প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রগতি না করে) এই পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় অংশ। এই মেয়াদে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আসা সমস্ত চীনা পণ্যের উপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছেন এবং তারপরে আরও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন যা ২রা মার্চের সপ্তাহ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাম্প বলেছেন যে, এর পরিমাণ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে। এর ফলে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রেও উচ্চ স্তরের অনিশ্চয়তা এবং অস্থিরতা তৈরি হবে কারণ অনেক শিল্প একে অপরের সাথে জড়িত। অনেকেই সরাসরি ট্রাম্পের দিকে ইঙ্গিত করেছেন যে, এটি আমেরিকান ভোক্তাদের উপর ততটাই প্রভাব ফেলবে যতটা চীনা কোম্পানিগুলোতে পড়বে, কিন্তু ট্রাম্প বারবার এই উদ্বেগকে উপেক্ষা করেছেন। ডলার ছাড়া অন্য মুদ্রা ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্রিকসকে তার খোলামেলা হুমকি চীনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পরিকল্পনার আরেকটি অংশ। এই যুক্তি অনুসারে ইউক্রেন এবং পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা বিভ্রান্তিকর। সেখানকার যুদ্ধগুলো দ্রুত শেষ করতে হবে যাতে চীনের মূল ব্যবসার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা যায়।

চীন আমেরিকার একমাত্র সমকক্ষ প্রতিযোগী- রাশিয়া নয়, অন্য কেউ নয়। অতএব, সামগ্রিক লক্ষ্য থেকে সরে যাওয়ার কোনও অর্থ হয় না। গাজায় দুই বছরের একটানা ও হত্যাকাণ্ডমূলক বোমাবর্ষণের অবসান ঘটে জানুয়ারিতে ইসরাইলের উপর ট্রাম্পের চাপিয়ে দেওয়া শান্তি চুক্তির মাধ্যমে এবং এখন মনে হচ্ছে মার্কিন সমর্থন উঠে যাওয়ায় ইউক্রেনকে রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

একবার তা ঘটলে অর্থাৎ, রাশিয়া ইউক্রেন দখলে নিলে চীনের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টি আরও তীব্র হবে। কিন্তু যদি তাই হয়, তাহলে ট্রাম্প কেন আমেরিকার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং মিত্রদের পিছনে ছুটছেন, এমনকি মেক্সিকো এবং কানাডার পিছনেও? আমি মনে করি, এই সবই আমেরিকাকে চীনের চেয়ে এগিয়ে রাখার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ।

ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক বিশ্ব বাজারে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছে এবং এটি সর্বদা ডলারকে শক্তিশালী করার দিকে পরিচালিত করে, যেমনটি আমরা প্রত্যক্ষ করছি। ডলারের দাম বৃদ্ধির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পণ্য রপ্তানি করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে এবং তাই ট্রাম্প বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চান। হয়তো ট্রাম্প এই বিষয়টি নিয়ে ভেবেছেন, হয়তো ভাবেননি। আমরা আগামী দিনে দেখব, কারণ চার বছর অনেক দীর্ঘ সময়। চীন কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে সেটাই বড় প্রশ্ন। চীনের বিশাল জনসংখ্যা রয়েছে যারা মাত্র ৪০ বছরের মধ্যে ইতিহাসের যেকোনো জাতির চেয়ে দ্রুত দেশের অর্থনীতি এবং শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

চীন তার অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করবে। প্রথমে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান হওয়ার চেষ্টা করবে এবং তারপরে তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়াস জারি রাখবে। চীনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমেরিকা নির্ধারণ করতে পারে না। চীনের নেতাকে হোয়াইট হাউসের রাজার দরবারে ডেকে তিরস্কার করা যাবে না এবং মার্কিন মিত্রদের মতো হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করা যাবে না।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাম্প্রতিক উন্নয়ন এবং ২০২৪ সালে বিশ্বের অন্যান্য দেশে চীনা রপ্তানির বৃদ্ধি দেখায় শুল্কের ভয় দেখিয়ে চীনকে থামানো যাবে না। মূলত, যদি ট্রাম্পের প্রাথমিক লক্ষ্য হয় আমেরিকার বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বজায় রাখা, তাহলে ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি নতুন প্রশ্ন তুলে দেবে এরপর কী হবে?তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নাকি অন্য কিছু-কেউই এর উত্তর জানে না।

সূত্র: ন্যাশনাল হেরাল্ড

 

আর্ন্তজাতিক

আরও পড়ুন

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

  • আর্কাইভ

    নড়াইলে খাল খননের কাজের উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

    বিএনপি দিনাজপুর জেলা শাখা আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব তারেক রহমান

    খালটি চালু হলে কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে: দিনাজপুরে তারেক রহমান

    আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে সকাল ৮টায় ডিএনসিসির কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত

    বস্তুনিষ্ঠ বুলেটিন ও তথ্য পরিবেশনে সংসদ গ্রন্থাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে —–ডেপুটি স্পীকার

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতি হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ,বেস লাইন হবে স্নাতক পাস : শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

    ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকল ধর্মের মানুষের জন্য শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ৫ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকরা

    প্রতিটি ওয়ার্ডে ফুটসাল খেলার সুবিধা নিশ্চিত করা হবে, যেন সব বয়সের মানুষ সহজেই খেলার সুযোগ পায়: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

    শুধু বগুড়া নয় দেশের প্রত্যেকটি জেলার উন্নয়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সব পরিকল্পনা করে রেখেছেন:আতিকুর রহমান রুমন

    উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোকে মা, শিশু ও নবজাতকদের স্বাস্থ্যসেবার মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে : জুবাইদা রহমান

    চবির সাবেক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ফোরামের ইফতার মাহফিলে ছাত্রদলের নবীন- প্রবীণ নেতাদের মিলনমেলা

    ইউজিসির নীতিমালায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তিন ধাপ পেরিয়ে শিক্ষক নিয়োগ: শেকৃবি

    প্রায় ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসহ ১ জনকে আটক করেছে শাহজালাল এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ

    মার্কিন হামলায় আগুনে জ্বলছে ইরানের খার্গ দ্বীপ ‘অরফান পার্ল’:দ্বীপটি দখলের বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র

    ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে ২,৫০০ জন মার্কিন স্থলসেনা ইতিমধ্যে যাত্রা শুরু করেছে

    মির্জা আব্বাসকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন

    সরকারের সমালোচনা করতে বিরোধী দলকে সব বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে: জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন

    লালমনিরহাটে ত্রাণমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    রাজধানীর কূর্মিটোলা ক্যাম্প এলাকায় বিশুদ্ধ পানির কল উদ্বোধন করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক

    এতিম জান্নাতীর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    পবিত্র কোরান তেলোয়াত এর মধ্যে দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে

    ‘আজ থেকে স্পিকার আর কোনো দলের নন, তিনি পুরো সংসদের অভিভাবক : প্রথম অধিবেশনে শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধ ছিল মূলত গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

    মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে (বীর বিক্রম) সভাপতি করে সংসদের বিশেষ স্থায়ী কমিটি গঠন

    পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির-এর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন সৌজন্য সাক্ষাৎ

    সরকারের দুটি মন্ত্রণালয়ের দপ্তর বণ্টন- মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আযম খান, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল


    • মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬
      ওয়াক্তসময়
      সুবহে সাদিকভোর ৫:৫১
      সূর্যোদয়ভোর ৭:০৬
      যোহরদুপুর ১:০৭
      আছরবিকাল ৪:৩২
      মাগরিবসন্ধ্যা ৭:০৮
      এশা রাত ৮:২৩
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুল হাসান বাবলু
    ই-মেইলঃ dk.kamrul@gmail.com
    copyright @ বাংলাদেশ দিনকাল / বিডি দিনকাল ( www.bddinkal.com )
    বিডি দিনকাল মাল্টি মিডিয়া (প্রা:) লিমিটেড প্রতিষ্ঠান।