আজ শুক্রবার | ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ |২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ১২:০০

শিরোনাম :

পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা ও যুবকদের দক্ষ করতে ডব্লিউএফপি-এর সহযোগিতা চাইলেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি কৃষিখাতে সম্পদের অপচয় রোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে ওয়ার্ল্ড এথনোস্পোর্টস ইউনিয়নের সভাপতি নেজেমেদ্দিন বিলাল এরদোয়ানের সৌজন্য সাক্ষাৎ : দেশীয় খেলাধুলার প্রসারে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হেলথ সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করছি আমরা হামে আক্রান্ত ৬ মাসের শিশু নূর নাহারের পাশে দাঁড়ালেন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ‘সুরভি’র অন্যতম সংগঠক ডা. জুবাইদা রহমান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ডিএসসিসি ও নারায়ণগঞ্জের শামীমবাগ ও কুতুবপুর সীমান্ত এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থানীয় সরকারের জরুরি উদ্যোগ

‘চীনের নেতাকে হোয়াইট হাউসে ডেকে তিরস্কার করতে পারবে না আমেরিকা’

প্রকাশ: ২ মার্চ, ২০২৫ ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ

আকার প্যাটেল : তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগ তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আক্ষরিক অর্থেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে তিরস্কার করার কয়েক ঘন্টা পর কী লেখা উচিত? ২০২৪ সালের নভেম্বরে অর্থাৎ মাত্র তিন মাস আগে রিপোর্ট করা হয়েছিল যে বাইডেন প্রশাসন রাশিয়ায় আক্রমণ করার জন্য ইউক্রেনকে আমেরিকার তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার ‘অনুমতি’ দিয়েছে।এর পরে রয়টার্স ‘রাশিয়ান আইন প্রণেতার দাবি ক্ষেপণাস্ত্রের সিদ্ধান্ত নিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন বাইডেন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে (শিরোনামটি পরে সংশোধিত করা হয়েছিল)। তার আগের মাস ২০২৪ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ব্যাংকার জেপি মরগানের উদ্ধৃত একটি শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে লেখা ছিল ‘পশ্চিমা শক্তি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হতে পারে’।

তিনি কেবল ইউক্রেনের যুদ্ধই নয়, গাজায় গণহত্যা এবং চীনের উত্থানকেও বৃহত্তর কিছু পরিবর্তনের জন্য অনুঘটক হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তাই ২৮শে ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বিখ্যাত ওভাল অফিসে যে সার্কাসটি দেখা গেল, সেটিই একমাত্র ঘটনা ছিল না যখন আমরা মানবজাতির সম্ভাব্য ধ্বংসের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি।

এই সব থেকে কী বোঝা যায়? প্রথমেই আসা যাক ডনাল্ড ট্রাম্প কী চান? আপাতদৃষ্টিতে এটা বলা কঠিন। কারণ তিনি সহজে অনেক কিছু নিয়ে কথা বলে দেন। ট্রাম্পের সমালোচকরা বলেন যে, তিনি আদপে বোকা এবং হিংস্র- কিন্তু দুবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী একজন ব্যক্তির সাথে এই পরিচয়ের মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। তাই ধরে নেওয়া যেতে পারে যে ট্রাম্প জানেন তিনি কী করছেন। এককথায় বলে যেতে পারে, আমেরিকান প্রেসিডেন্টের আসল লক্ষ্য চীন।

তিনি চীনের উত্থানকে বাধাগ্রস্ত করতে চান যাতে এটি ক্ষমতায় যুক্তরাষ্ট্রের সমান না হয়। তিনি চান ডলারই একমাত্র রিজার্ভ বৈশ্বিক মুদ্রা থাকুক এবং চীন যেন উৎপাদন ও রপ্তানির কিছু অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনে। আর তাই তার সমস্ত বৃহত্তর কর্মকাণ্ডকে চীন-বিরোধী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা উচিত।

পূর্ববর্তী প্রবৃদ্ধির হার বজায় থাকলে আগামী কয়েক দশকে চীন মার্কিন অর্থনীতির সমান হবে এবং তারপরে তাকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রাম্প তা হতে দিতে চান না। প্রথম মেয়াদে চীনের ওপর ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ যা বাইডেনের অধীনে যুক্ত করা হয়েছিল, যেমন উচ্চমানের কম্পিউটার চিপের উপর নিষেধাজ্ঞা (চীন যাতে প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রগতি না করে) এই পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় অংশ। এই মেয়াদে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আসা সমস্ত চীনা পণ্যের উপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছেন এবং তারপরে আরও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন যা ২রা মার্চের সপ্তাহ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাম্প বলেছেন যে, এর পরিমাণ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে। এর ফলে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রেও উচ্চ স্তরের অনিশ্চয়তা এবং অস্থিরতা তৈরি হবে কারণ অনেক শিল্প একে অপরের সাথে জড়িত। অনেকেই সরাসরি ট্রাম্পের দিকে ইঙ্গিত করেছেন যে, এটি আমেরিকান ভোক্তাদের উপর ততটাই প্রভাব ফেলবে যতটা চীনা কোম্পানিগুলোতে পড়বে, কিন্তু ট্রাম্প বারবার এই উদ্বেগকে উপেক্ষা করেছেন। ডলার ছাড়া অন্য মুদ্রা ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্রিকসকে তার খোলামেলা হুমকি চীনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পরিকল্পনার আরেকটি অংশ। এই যুক্তি অনুসারে ইউক্রেন এবং পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা বিভ্রান্তিকর। সেখানকার যুদ্ধগুলো দ্রুত শেষ করতে হবে যাতে চীনের মূল ব্যবসার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা যায়।

চীন আমেরিকার একমাত্র সমকক্ষ প্রতিযোগী- রাশিয়া নয়, অন্য কেউ নয়। অতএব, সামগ্রিক লক্ষ্য থেকে সরে যাওয়ার কোনও অর্থ হয় না। গাজায় দুই বছরের একটানা ও হত্যাকাণ্ডমূলক বোমাবর্ষণের অবসান ঘটে জানুয়ারিতে ইসরাইলের উপর ট্রাম্পের চাপিয়ে দেওয়া শান্তি চুক্তির মাধ্যমে এবং এখন মনে হচ্ছে মার্কিন সমর্থন উঠে যাওয়ায় ইউক্রেনকে রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

একবার তা ঘটলে অর্থাৎ, রাশিয়া ইউক্রেন দখলে নিলে চীনের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টি আরও তীব্র হবে। কিন্তু যদি তাই হয়, তাহলে ট্রাম্প কেন আমেরিকার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং মিত্রদের পিছনে ছুটছেন, এমনকি মেক্সিকো এবং কানাডার পিছনেও? আমি মনে করি, এই সবই আমেরিকাকে চীনের চেয়ে এগিয়ে রাখার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ।

ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক বিশ্ব বাজারে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছে এবং এটি সর্বদা ডলারকে শক্তিশালী করার দিকে পরিচালিত করে, যেমনটি আমরা প্রত্যক্ষ করছি। ডলারের দাম বৃদ্ধির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পণ্য রপ্তানি করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে এবং তাই ট্রাম্প বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চান। হয়তো ট্রাম্প এই বিষয়টি নিয়ে ভেবেছেন, হয়তো ভাবেননি। আমরা আগামী দিনে দেখব, কারণ চার বছর অনেক দীর্ঘ সময়। চীন কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে সেটাই বড় প্রশ্ন। চীনের বিশাল জনসংখ্যা রয়েছে যারা মাত্র ৪০ বছরের মধ্যে ইতিহাসের যেকোনো জাতির চেয়ে দ্রুত দেশের অর্থনীতি এবং শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

চীন তার অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করবে। প্রথমে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান হওয়ার চেষ্টা করবে এবং তারপরে তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়াস জারি রাখবে। চীনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমেরিকা নির্ধারণ করতে পারে না। চীনের নেতাকে হোয়াইট হাউসের রাজার দরবারে ডেকে তিরস্কার করা যাবে না এবং মার্কিন মিত্রদের মতো হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করা যাবে না।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাম্প্রতিক উন্নয়ন এবং ২০২৪ সালে বিশ্বের অন্যান্য দেশে চীনা রপ্তানির বৃদ্ধি দেখায় শুল্কের ভয় দেখিয়ে চীনকে থামানো যাবে না। মূলত, যদি ট্রাম্পের প্রাথমিক লক্ষ্য হয় আমেরিকার বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বজায় রাখা, তাহলে ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি নতুন প্রশ্ন তুলে দেবে এরপর কী হবে?তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নাকি অন্য কিছু-কেউই এর উত্তর জানে না।

সূত্র: ন্যাশনাল হেরাল্ড

 

আর্ন্তজাতিক

আরও পড়ুন

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

  • আর্কাইভ

    গবেষণায় সফলতাকে স্বর্ণপদক ও পদোন্নতিতে বিশেষ মূল্যায়ন করা হবে :মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

    ৫০ নং ওয়ার্ড আজমপুর এলাকার রাস্তা সংস্কার কাজ পরিদর্শনে ঢাকা ১৮ আসনের এমপি জাহাঙ্গীর হোসেন : কাজের ধীর গতিতে অসন্তোষ

    পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা ও যুবকদের দক্ষ করতে ডব্লিউএফপি-এর সহযোগিতা চাইলেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি

    কৃষিখাতে সম্পদের অপচয় রোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে ওয়ার্ল্ড এথনোস্পোর্টস ইউনিয়নের সভাপতি নেজেমেদ্দিন বিলাল এরদোয়ানের সৌজন্য সাক্ষাৎ : দেশীয় খেলাধুলার প্রসারে যৌথ উদ্যোগের আহ্বান

    জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী

    হেযবুত তওহীদের গোলটেবিল বৈঠক উত্তরায় : “মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা” নিশ্চিতে ৯ দফা প্রস্তাবনা

    সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হেলথ সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করছি আমরা

    সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদ থেকে সড়ে দাড়িয়েছেন আঞ্জুমান আরা লিমা

    হামে আক্রান্ত ৬ মাসের শিশু নূর নাহারের পাশে দাঁড়ালেন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ‘সুরভি’র অন্যতম সংগঠক ডা. জুবাইদা রহমান

    বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    আশুলিয়ায় জিয়াউর রহমানের খননকৃত খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

    সরকার ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প গ্রহণ করেছে

    কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা

    ডিএসসিসি ও নারায়ণগঞ্জের শামীমবাগ ও কুতুবপুর সীমান্ত এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থানীয় সরকারের জরুরি উদ্যোগ

    স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    এলজিইডির প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

    অপরাধীর কোনো দল নেই, দলের কেউ অপরাধে জড়ালে আইন হবে ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো টেস্ট ম্যাচ জয়ের স্বাদ পেল স্বাগতিক বাংলাদেশ

    ফেনীতে বাসচাপায় প্রাণ গেল মোটর সাইকেল আরোগী পিতা পুত্রের

    বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি

    ক্রীড়া উৎকর্ষ ও সহযোগিতা উন্নয়নে ঐতিহাসিক ক্রীড়া কূটনীতি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করল বাংলাদেশ ও তুরস্ক

    ওআইসি যুব সম্মেলনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হকের

    আধুনিক, জনবান্ধব ও সেবামুখী পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না খেলার সিদ্ধান্ত খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে রাঙামাটিতে প্রতিনিধি দল: ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে জট খোলার তোড়জোড়

    উল্টোপথে যানবাহন চলাচল করলেই ডিজিটাল মামলা : ডিএমপি কমিশনার

    ডেঙ্গু মোকাবিলায় মোবাইল হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে:বরিশালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী


    • বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
      ওয়াক্তসময়
      সুবহে সাদিকভোর ৪:৫৪
      সূর্যোদয়ভোর ৬:১৭
      যোহরদুপুর ১২:৫৫
      আছরবিকাল ৪:১৮
      মাগরিবসন্ধ্যা ৭:৩৩
      এশা রাত ৮:৫৬
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুল হাসান বাবলু
    ই-মেইলঃ dk.kamrul@gmail.com
    copyright @ বাংলাদেশ দিনকাল / বিডি দিনকাল ( www.bddinkal.com )
    বিডি দিনকাল মাল্টি মিডিয়া (প্রা:) লিমিটেড প্রতিষ্ঠান।