আজ | | | |

শিরোনাম :

চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার ধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নেয়া শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে লাল গালিচা সংবর্ধনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন মুন্সীগঞ্জ জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল

বিপ্লবের পর যে ভুলগুলো পোড়াচ্ছে

প্রকাশ: 1 May, 2025 5:14 pm

মাহমুদ হাসান : ব্যবধানটা ৩৪ বছরের। অনেকেরই মনে থাকার কথা।কারো কারো ইতিহাসের পাতা থেকেই জানা হয়েছে নিশ্চয়ই। ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে নয় বছরের স্বৈরশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। সেই আন্দোলনে রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি ছাত্র জনতার ভূমিকা কম ছিল না। আর ৩৪ বছর পর ২০২৪ সালের আগস্টে আরেক স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর পর ক্ষমতাচ্যুত শুধু নয় দেশ ছাড়াও করা হয়েছে। এবার এ আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। তবে দীর্ঘ ১৬ বছর রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করে গণতন্ত্রমনা রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলনকে একটি পরিণতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মুখে কোটাবিরোধী আন্দোলনে পতন ঘটে বিশ্বের কুখ্যাত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের। দুনিয়া কাঁপানো এই বিপ্লব পরবর্তী সময়টি যথাযথ বুঝে ওঠার আগেই অনেক ‘অঘটন’ ঘটে গেছে। ফলশ্রুতিতে আন্দোলনের সহশক্তির মাঝে বিভেদ, হাসিনা তাড়ানোর শেষ বাঁশী বাজানো বংশীবাদকদের নানা কর্মে বিতর্কিত হওয়া, নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হওয়া ইত্যাদি।

রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক আন্দোলনই হোক বা কোটা বিরোধী আন্দোলনই হোক, দুটোরই মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থায় দেশকে ফিরিয়ে আনা। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

তবে ‘৯০ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে অতি দ্রুত সময় অর্থাৎ তিন মাসের মধ্যে এটা করা সম্ভব হয়েছিল। তখন সবই হয়েছিল তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী। ওই সময় আন্দোলনরত ৭ দল, ৮ দল ও বাম রাজনৈতিক ধারার ৫ দল নিয়েই তিন জোটের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছিল। তিন জোটের রূপরেখা সামনে দিক নির্দেশনা দিয়েছিল বলেই সব কাজ সহজ হয়েছিল। কিন্তু ২৪- এর আন্দোলনের আগে তেমন কোনো রূপরেখা সামনে ছিল না। পতিত সরকারের অত্যাচার নির্যাতন, জুলুম, হত্যা, গুম, মামলা, হামলা ইত্যাদি কারণে মানুষ ছিল দিশেহারা। রাজনৈতিক দলগুলোতে ছিল এক ধরনের নীরব অস্থিরতা। ফলে দীর্ঘ দেড় দশকে আন্দোলন যেমন ছিল বিচ্ছিন্ন ও খাপছাড়া। অপরদিকে, পতিত সরকার সুকৌশলে কিছু সুবিধাভোগী বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের তুঙ্গে ওঠা আন্দোলন স্তিমিত করার দায়িত্ব দেওয়া হতো। তারা সেসব দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করতেন। ফলস্বরূপ ফ্যাসিস্ট শাসন দীর্ঘায়িত হয়েছিল- এমন কথা আগেও বলা হতো, এখনো বলা হয়। এমন সব কারণেই রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম যেমন বার বার খাবি খেয়েছে, মাঝে মাঝে ভোকাট্টা হয়েছে। তাই হয়তো ৯০ সালের মতো কোনো রূপরেখা তৈরি করা সম্ভব হয়নি। তবে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে চলাকালে বৃহত্তর রাজনৈতিক দল বিএনপি বেশ কয়েকবার তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে দলটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে। এর মাঝে ২৭ দফা ও ৩১ দফা অন্যতম। কিন্তু এসব প্রস্তাবনায় সরকার পতন হলে বা চলে গেলে কি আঙ্গিকে দেশ পরিচালিত হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা নেই। তা না থাকারই কথা। দলটি অত্যাচার নির্যাতন, গুম-খুনের যন্ত্রণায় ছটফট করছিল শেষ দিন পর্যন্ত।

আর কয়েকদিন পর অভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ নয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। অথচ যে একটি গণতান্ত্রিক সরকার চাওয়া ছিল তা এখনো পূর্ণ হয়নি দেশবাসীর। কবে নির্বাচিত সরকারের কাছে শাসনভার যাবে তা এখনো কেউ জানে না।

গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ ছিল স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ন্যূনতম সংস্কার-পরবর্তী সব দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করা। সে আয়োজনের পথে তারা প্রকৃতপক্ষে অগ্রসর হচ্ছেন কি না কিংবা কতটুকু আগ্রহী তা সামনের দিনে বোঝা যাবে। অন্তর্বর্তী সরকার এমনভাবে এগোবে যাতে জাতিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে না হয়। অনিশ্চয়তা দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের আগামী দিনের কর্মসূচি ও কার্যাবলির ওপর দেশের ভাগ্য নির্ভর করছে।

এখন নির্বাচনের মাঠে প্রবেশ করছে টাকাওয়ালা, দুর্বৃত্ত, দখলবাজ, মাফিয়া, হোন্ডা নিয়ে মহড়া দেওয়া প্রভাবশালী মহল, যারা নির্বাচনকে একটি ব্যবসায়িক বিনিয়োগ হিসেবে দেখে। কিন্তু দেশের মানুষ এখন এসবের বাইরে গিয়ে প্রকৃত জনপ্রতিনিধিকে দেখতে চায়—যে তাদের অধিকার, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রয়োজনের প্রতিনিধিত্ব করবে। এ ধরনের একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কতটা প্রস্তুত তা নিয়ে রয়েছে বিস্তর সংশয়। ভুলে গেলে চলবে না, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের যথাক্রমে রাতের ভোট ও ডামি ভোটের দায়িত্ব পালন করা প্রশাসনের চিহ্নিত মাস্টার মাইন্ড কর্মকর্তারা এখনো সরকারেই আছে। আছে ফ্যাসিস্টের হাতিয়ার হয়ে হাজার হাজার বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের গুম-খুন, মামলা-হামলার নাটের গুরু নিরাপত্তা বাহিনী চিহ্নিত সদস্যরা, আওয়ামী শাসনের দীর্ঘ সময়ে ও জুলাই আগস্ট আন্দোলনের বিরুদ্ধে যে সব অস্ত্র ব্যবহার হয়েছিল সেগুলো এখনো তাদের হাতেই রয়েছে। এদের জায়গামতো রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচন কতটা গ্রহণযোগ্য করতে পারবে- তা হয়তো অনেকেই ভেবে দেখেননি। জুলাই-আগস্টে গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু না করে নির্বাচন অনুষ্ঠান কতটা সমীচীন সেদিকেই ভাবতে হবে। এর রক্ত, এত জীবনদান শুধুই কি নির্বাচনে সমাধান? এ প্রশ্নও জোরালো হচ্ছে।

এদিকে, নিন্দুকেরা নানা কথা বলছে, ধর্মীয় রাজনীতির অন্যতম দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এখনো দলীয় নিবন্ধন ও প্রতীক ফিরে পায়নি। পাশাপাশি কিংস পার্টি হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এনসিপি রাজনৈতিক দল হিসেবে এখনো জনমনে স্থান করে নিতে পারেনি। এ দু’টো দলকে বাইরে রেখে সরকার নির্বাচনী রোড ম্যাপ ঘোষণা করবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

নিবন্ধনের শুরুতে দুটো বিষয় নিয়ে কথা বলার চেষ্টা ছিল। একটি হলো ৯০- এর আন্দোলন ও দ্বিতীয়টি তিন জোটের রূপরেখা। নব্বইয়ের আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালনকারী তৎকালীন ছাত্র নেতৃবৃন্দ এরশাদ বিদায়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে অতটা সক্রিয় হননি। ২/৩ জন সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। মূলত তারা ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করার চেষ্টায় রত ছিলেন। কিছু ক্ষেত্রে সফলতা পেয়েছেন, কিছু ক্ষেত্রে পারেননি। তবে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও মূল রাজনৈতিক শক্তিসমূহ অনেক কাজের বাধা ছিলেন সেই অগ্নিঝরা দিনের সোনালী ফসল ছাত্র নেতৃবৃন্দ। যদিও সময়ের ব্যবধানে সে সময়ের প্রথম সারির ছাত্র নেতারা পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দেখান। কিন্তু ৩৪ বছর পর এসে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে বিজয়ের পর ছাত্র বা শিক্ষার্থীরা ক্ষমতার ভাগীদার হয়ে গেলেন। রাজনৈতিক দল গঠন করলেন। নানা অপকর্মের মাধ্যমে বিতর্কে জাড়িয়ে গেলেন। রাজনৈতিক দলগুলেকে হেয় প্রতিপন্ন করে কথা বলা শুরু করলেন। ফলে সমালোচনায় জর্জরিত হচ্ছেন বাক্যবাণে। গত বছর জুলাই-আগস্টে যারা ছিলেন জাতীয় বীর বছর না ঘুরতেই তারাই অনেকে হয়ে গেলেন সমালোচনার পাত্র। এমনকি জুলাই-আগস্টে যে ঐক্যের মাধ্যমে এই তরুণ তুর্কীরা জগদ্দল পাথরের ন্যায় ক্ষমতা দখলদার হাসিনা গংদের দেশ ছাড়া করেছেন, তারাই এখন অনৈক্যের মাঝে হাবুডুবু খাচ্ছেন। যা কাম্য ছিল না। তবে অনেককেই বলতে শোনা যায়, পরিকল্পিতভাবেই আগস্ট বিপ্লবের শিক্ষার্থী নেতৃবৃন্দকে জাতির সামনে বিতর্কিত করা হয়েছে।

দ্বিতীয় বিষয় আরো গুরুত্বপূর্ণ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের আগে সরকার গঠন, শপথ, উপদেষ্টা পরিষদ নিয়োগ নিয়ে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সামনে আগে থেকে কোনো হোম ওয়ার্ক ছিল না। ফলে তড়িঘড়ি বা চাপ প্রয়োগ করে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছ থেকে কিছু ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি কোনো সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা জেনে নেওয়া হয়নি পূর্বাহ্নে। অথবা রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তা তৎক্ষণাৎ দিতে পারেনি। ফলে যা হবার তাই হয়েছে। সরকার সংস্কারের কথা বলছে জোরেশোরে। তা শেষ করে নির্বাচনের পথে পা বাড়াবে তারা। অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট পথরাস্তা জানতে চাচ্ছে।

এত বড় বিজয়ের পর ক্ষুদ্র কিছু কারণে সরকার, রাজনৈতিক দল ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিগুলোর মাঝে যে কোনো অনৈক্য পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে সহায়তা করবে। সকলকেই মনে রাখতে হবে, এমন ঘোলা জলেই মাছ শিকারের চেষ্টা করবে পতিত ফ্যাসিস্ট ও তার দোসররা, যা কারো জন্যই স্বস্তিদায়ক হবে না।

(লেখক : বিশিষ্ট্য সাংবাদিক, কলামিস্ট)

এক্সক্লুসিভ বাংলাদেশ রাজনীতি লেখকের কলাম

আরও পড়ুন

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

  • আর্কাইভ

    তরুণ শিল্পীদের তুলির আঁচড় আমাদের অদম্য সাহস ও আত্মত্যাগের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল 

    চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

     পার্বত্য চট্টগ্রামে গৎবাঁধা পদ্ধতিতে প্রকল্প চালানো আর যাবে না- বললেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ

    বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার

    ধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নেয়া শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা

    চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    কথায় নয়, বর্তমান সরকার কাজে বিশ্বাসী: ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও

    বাইপাস সড়কের কাজ দ্রুত শুরু করার দাবিতে উলিপুরে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

    কুড়িগ্রামে অসহায় দরিদ্র নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ

    ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী:নগরের নিরাপত্তা বজায় রাখতে পুরো ঢাকাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলার পরিকল্পনা

    সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে লাল গালিচা সংবর্ধনা

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন

    মুন্সীগঞ্জ জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল

    শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করেই দেশগঠনে কাজ করছে সরকার—- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

    বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এগিয়ে চলছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তারুণ্যের মেধা ও প্রযুক্তির শক্তিতেই গড়ে উঠবে সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

    বারে ডেকে তরুণীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে

    ‘গাঢ় নীল’ এবং ‘হালকা অলিভ’ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণে আগের পোশাকে ফিরছে পুলিশ

    প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক

    আশুলিয়ায় মাদ্রাসা নিয়ে চক্রান্ত; আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

    মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

    ২২ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে প্রাথমিক গোল্ড কাপ ফুটবল, ৫০ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা: মাহদী আমিন

    দেশে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন:প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান

    প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নিকটাত্মীয় পরিচয়:পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার

    পার্বত্যের উৎসব বাংলাদেশের অনন্য সাংস্কৃতিক ভিত্তি: পার্বত্য সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান

    এক লাখ ইয়াবা গায়েবের অভিযোগে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিনকে প্রত্যাহার


    • শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
      ওয়াক্তসময়
      সুবহে সাদিকভোর ৪:৪৬
      সূর্যোদয়ভোর ৬:১৪
      যোহরদুপুর ১:০১
      আছরবিকাল ৪:২০
      মাগরিবসন্ধ্যা ৭:৪৯
      এশা রাত ৯:১৭
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুল হাসান বাবলু
    ই-মেইলঃ dk.kamrul@gmail.com
    copyright @ বাংলাদেশ দিনকাল / বিডি দিনকাল ( www.bddinkal.com )
    বিডি দিনকাল মাল্টি মিডিয়া (প্রা:) লিমিটেড প্রতিষ্ঠান।