
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৮৬১.৮ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ ০১) মোঃ নাসির মোল্লা (৪০), ০২) সোহাগ শেখ (২৪) ও ০৩) মোঃ হাছান মিয়া (২৩) নামে তিনজনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ দিবাগত রাতে বিমানবন্দরের গোলচত্বর সংলগ্ন উত্তর পাশের ফুটপাতে উপরোল্লিখিত ব্যক্তিদের সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা সুকৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে এয়ারপোর্ট এপিবিএন ফোর্স তাদের আটক করে।
আটককৃত ব্যক্তিদের শরীর তল্লাশি করে তাদের হেফাজত থেকে সর্বমোট ৮৬১.৮ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারগুলো ২১ ও ২২ ক্যারেটের। এগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য সর্বমোট ১,৩৬,৮৬,১৬০/- (এক কোটি ছত্রিশ লাখ ছিয়াশি হাজার একশত ষাট) টাকা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অদ্য ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে বিমানবন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ পন্থায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ নিয়ে এসে নিজ হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি)/২৫-ডি ধারায় অপরাধ করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, “বিমানবন্দর এলাকায় আমরা নিরাপত্তায় আপসহীন, অপরাধ দমনে অঙ্গীকারবদ্ধ। চোরাচালান প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বরাবরের মতোই সক্রিয় ও তৎপর ভূমিকা পালন করছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানের অপতৎপরতা রোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বদ্ধপরিকর। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো চোরাচালান রোধে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”প্রেস রিলিজ
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
|---|---|
| সুবহে সাদিক | ভোর ৫:২৭ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৬:৪৩ |
| যোহর | দুপুর ১২:৫৫ |
| আছর | বিকাল ৪:২২ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৭:০৬ |
| এশা | রাত ৮:২৩ |