
ঢাকা বিমানবন্দরে তিনটি পৃথক অভিযানে প্রায় ৭৮১.৩ গ্রাম স্বর্ণালংকার, ১০টি মোবাইল ফোন, ০২টি ল্যাপটপ ও ০৩ কার্টন সিগারেটসহ ০৭ জন আটক করেছে এয়ারপোর্ট এপিবিএন।বিমানবন্দর এলাকায় এই ধরণের অভিযান অব্যাহত রেখেছে এপিবিএন ।
আজ শনিবার ০৩ /১০/২০২৬ ইং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক দিনে পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৭৮১.৩ গ্রাম (প্রায় ৬৭ ভরি) স্বর্ণালংকার, ১০টি মোবাইল ফোন, ০২টি ল্যাপটপ ও ০৩ কার্টন সিগারেটসহ ০৭ জনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গোলচত্বরের উত্তর পাশে গোপন অভিযান পরিচালনাকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সুকৌশলে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় এয়ারপোর্ট এপিবিএনের সদস্যরা তাদের আটক করেন।
পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তিদের এয়ারপোর্ট এপিবিএন অফিসে নিয়ে এসে শরীর তল্লাশি করা হলে তাদের হেফাজত থেকে সর্বমোট ৪৮৪.২ গ্রাম স্বর্ণালংকার, ০২টি ল্যাপটপ, ০৮টি মোবাইল ফোন এবং ০৩ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন— তোফাজ্জল হোসেন (৩৭) , জসিম উদ্দিন (৩৯) ,আরাফাত হোসাইন (২৮),আরিফ (৪২) ,মোঃ আলামিন গাজী (৩৭)।
এদিকে বিমানবন্দরের আগমনী ০২ নম্বর ক্যানোপি সংলগ্ন পাকা সড়কে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করা রূপবান বেগম (৩৯) নামে এক নারীকে আটক করে এয়ারপোর্ট এপিবিএন অফিসে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও শরীর তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে ৯৮.৭ গ্রাম স্বর্ণালংকার এবং ০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে একইদিনে বিমানবন্দরের মূল প্রবেশপথের গোলচত্বরের পশ্চিম পাশে পাকা সড়কে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করা এম. এ. মতিন (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে এয়ারপোর্ট এপিবিএন অফিসে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও শরীর তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে ১৯৮.৪ গ্রাম স্বর্ণালংকার এবং ০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
প্রতিটি ঘটনায় আটককৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে রিসিভার হিসেবে বিমানবন্দরের স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত।
আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ০৩/১০/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে বিমানবন্দর থানায় পৃথক তিনটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিরা অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ পন্থায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ বাংলাদেশে এনে নিজ হেফাজতে রাখার মাধ্যমে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি)/২৫-ডি ধারায় অপরাধ করেছেন।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন,“বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বরাবরের মতোই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ সকল ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বদ্ধপরিকর। বিমানবন্দরকে ব্যবহার করে সংঘটিত যেকোনো চোরাচালান কার্যক্রম প্রতিরোধে আমাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।”
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
|---|---|
| সুবহে সাদিক | ভোর ৫:৩৬ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৬:৫১ |
| যোহর | দুপুর ১২:৪৭ |
| আছর | বিকাল ৪:১১ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৬:৪৪ |
| এশা | রাত ৭:৫৯ |