আজ শুক্রবার | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ |২৯শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ২:৪৩

বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম. ইলিয়াস আলীকে গুম ও হত্যার পূর্বে দুজন ছাত্র নেতা কে গুম করা হয়। এই গুম গুলা একই সূত্রে গাঁথা। তাদের গুমের পূর্বে ফলো করা হয়েছিল। এ সংক্রান্ত কিছু কল রেকর্ড আমরা সংগ্রহ করেছি। এমনকি জিয়াউল আহসানের মামলায় যারা সাক্ষ্য দিতে আসবে তারাও এ ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিবেন বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, ইলিয়াস আলী অত্যন্ত প্রিয় নেতা এবং সিলেট বিভাগের অহংকার। তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা আমাদের ইলিয়াস আলী ১৭ তারিখ মধ্যরাতে এপ্রিলের অথবা ১৮ তারিখ ২০১২ সালে তিনি বনানীর একটি রাস্তা থেকে তাকে কিডন্যাপ করা হয়। তাকে অপহরণ করার আগে ১৪ই এপ্রিল সিলেটের দুইজন ছাত্রদল নেতা একজন হচ্ছে ইফতেখার আহমেদ দিনার এবং জুনায়েদ কে অপহরণ করা হয়েছে। এই দুইজনকে অপহরণ করার পরেই আমাদের ইলিয়াস আলীকে অপহরণ করা হয়। এই দুইটার একটা যুগসূত্র আমরা খুঁজে পাই। খুঁজে পাই এই কারণে যে পরবর্তীকালে ১৭ বা ১৮ তারিখে যে টেলিফোনের যে কথাবার্তা হয় সেখান থেকে ৮টি টেলিফোনের সিডিআর রেকর্ড আমরা সংগ্রহ করি। সেখান থেকে আমরা দেখতে পাই যে এই নাম্বারগুলো থেকে যে কলগুলো হয়েছিল এগুলো একটি অস্বাভাবিক কথোপকথন ছিল। শুধু তাই না ইলিয়াস আলী সাহেবকে যারা ফলো করেছে। ওই কল লিস্ট থেকে আমরা পেয়েছিলাম যে এই কল লিস্ট যারা মানে ফোনগুলো যারা ব্যবহার করেছে সেদিন তারা ইলিয়াস আলীকে ফলো করেছিল। এই তথ্য প্রমাণগুলো আমরা ইতিমধ্যে পেয়েছি এবং এর মধ্যে আমরা আরো কিছু তথ্য আমরা পেয়েছি যেগুলো আপনারা দেখতে পাবেন যে আমাদের জিয়াউল আহসানের যে মামলাটা চলছে সেখানে কিছু কিছু সাক্ষীর বক্তব্য থেকে আমরা ইলিয়াস আলীর কানেকশনে কিছু এভিডেন্স ইতিমধ্যে আমরা সংগ্রহ করেছি। হয়তো জিয়াউল আহসানের মামলায় যারা সাক্ষী হিসেবে ভবিষ্যতে আসবে। আমরা বিশ্বাস করি তাদের সাক্ষ্য থেকেও আমরা কিছু তথ্য সেখান থেকে আমরা পাবো।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ইতমধ্যেই মামুন খানের নামে সাবেক ডিজিএফআই প্রধানকে আমরা গ্রেফতার করেছি। আইসিটি তদন্ত সংস্থা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পুলিশের ডিবিও জিজ্ঞাসাবদ করেছে। তিনিও তার কাছ থেকেও কিন্তু ইলিয়াস আলীর গুম সংক্রান্ত কিছু কানেকশন পেয়েছি। ইলিয়াস আলীর এই তদন্তের বিষয়ে আমরা খুব জোরদারও তৎপরতা আমরা চালাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি যে আমরা ইলিয়াস আলীর তদন্তটি একটা কনস্ট্রাকটিভ তদন্তের শেষে আমরা এই বিষয়ে হয়তো একটি রিপোর্ট আমরা সাবমিট করতে সক্ষম হবো। এবং এটাও আমরা বিশ্বাস করি যে তার যে এই গুমের বিষয়ে তদন্তের শেষে আমরা প্রকৃত ঘটনাটা আমরা উদঘাটন করতে পারবো। এবং সেভাবেই আমরা আগাচ্ছি।
পরিবারের কাউকে সাক্ষী করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, হ্যাঁ, পরিবারের সাক্ষী তো স্বাভাবিকভাবে এমনিতেই সাক্ষী হলো। তার রাজনৈতিক সহকর্মী যারা আছেন তার সাথে যারা ছিলেন এবং যারা ঐদিন তারা তিনি যে হোটেল থেকে বেরিয়ে আসছিলেন সেখানে যারা ছিলেন কারণ সবাই তো প্রাসঙ্গিক সাক্ষী তারা হবেই। আরো কিছু কিছু তথ্য আমাদের কাছে ইতমধ্যে আসছে। কিন্তু আমরা এখনই তদন্তের স্বার্থে তো সবগুলো আমরা ডিসকাস করতে পারবো না।সূত্র : মানবজমিন
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
|---|---|
| সুবহে সাদিক | ভোর ৫:১৯ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৬:৩৭ |
| যোহর | দুপুর ১২:৫৮ |
| আছর | বিকাল ৪:২৬ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৭:২০ |
| এশা | রাত ৮:৩৮ |