
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬:- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব সাচিং প্রু, এমপি পার্বত্য বৌদ্ধ মিশন (পিবিএম)-এর স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বিশিষ্ট বৌদ্ধ ধর্মগুরু, সমাজচিন্তক ও মানবহিতৈষী পূজনীয় ভদন্ত সুমনালঙ্কার মহাথেরোর মহাপ্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
এক শোকবার্তায় মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, “পূজনীয় ভদন্ত সুমনালঙ্কার মহাথেরো ছিলেন ধর্ম, শিক্ষা, মানবসেবা ও সমাজকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ একজন মহৎ সাধক। পার্বত্য চট্টগ্রামের দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও অনাথ শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে তাঁর দীর্ঘদিনের নিরলস অবদান অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”
পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু তাঁর শোক বাণীতে আরও বলেন, “মৈত্রী, করুণা ও প্রজ্ঞার বাণীকে ধারণ করে পূজনীয় ভদন্ত সুমনালঙ্কার মহাথেরো আজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তাঁর দূরদর্শী উদ্যোগে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত পার্বত্য বৌদ্ধ মিশন পরবর্তীতে অনাথালয়, আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়, পালি কলেজ, বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র, আইসিটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন মানবকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। এসব প্রতিষ্ঠান তাঁর মানবিক দর্শন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সমাজকল্যাণের আদর্শের উজ্জ্বল স্মারক হয়ে থাকবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পূজনীয় ভদন্ত সুমনালঙ্কার মহাথেরোর মহাপ্রয়াণে পার্বত্য চট্টগ্রামের বৌদ্ধ সমাজসহ ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। শান্তি, সম্প্রীতি, মানবসেবা ও শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অনন্য অবদান পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে এবং তাঁর মহান কর্ম, আদর্শ ও মানবকল্যাণের সাধনা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
পার্বত্য মন্ত্রী পূজনীয় ভদন্ত সুমনালঙ্কার মহাথেরোর মহাপ্রয়াণে গভীর শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বুদ্ধের করুণাময় বাণীর আলোকে পূজনীয় ভদন্ত সুমনালঙ্কার মহাথেরোর পরম শান্তি ও সদগতি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত শিষ্য, ভক্ত, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
|---|---|
| সুবহে সাদিক | ভোর ৫:২৮ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৬:৪৪ |
| যোহর | দুপুর ১২:৫৫ |
| আছর | বিকাল ৪:২২ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৭:০৫ |
| এশা | রাত ৮:২১ |