
নজরুল ইসলাম মানিক, সাভার ও আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি ঃ ধামসোনা নলাই মুকেন্দ্র হাউস থেকে কারিগর পাড়া ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এইচবিবি সড়ক ও তিনটি কালভার্ট ব্রিজের কাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই দিনের মাথায় নদীর পাড়ঘেঁষা সংযোগস্থল ভেঙে যায়। প্রকল্পে নি¤œমানের উপকরণ ও জোড়াতালি দেওয়ার অভিযোগ এনে স্থ’ানীয় বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
জানা গেছে, জাইকার অর্থায়নে ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ৪ কোটি টাকা প্রাক্কলিত বাজেটে কাজটি শুরু হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সালেহ এন্টারপ্রাইজ তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় কাজটি পায় বলে অভিযোগ। ২০২২ সালের ২ ফেব্রæয়ারি তৎকালীন ঢাকা-১৯ সংসদ সদস্য ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান উদ্বোধন করেন।
স্থ’ানীয় সূত্র ও সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কে পুরনো ও নি¤œমানের ইট ব্যবহার করা হয়েছে, ঢালাইয়ে সিমেন্ট দেওয়া হয়েছে নামমাত্র। স্থাায়ী গাইডওয়ালের বদলে বাঁশের চাটাই ও কাঠের বেড়া দেওয়া হয়েছে। ব্রিজের পিয়ারের চারপাশে স্থাায়ী ঢালাই বেষ্টনীর বদলে মাটি ফেলা হয়েছে, যা বৃষ্টি ও সামান্য চাপেই ধসে গেছে। অনেক স্থ’ানে ইটের ফাঁকে বালি ও মাটি ভরাট করে রাখা হয়েছে।
স্থ’ানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, “ব্রিজের গোড়ায় বড় বøক দিয়ে প্রটেকশন দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু‘ ঠিকাদার বাঁশ-কাঠের বেড়া দিয়ে মাটি ভরাট করে গেছে। দুই দিনেই সব নদীতে চলে গেছে।” অপর বাসিন্দা মিষ্টু বলেন, “চার বছর কষ্ট করেছি, অথচ পুরনো ইট আর মাটি-বালু দিয়ে জোড়াতালি করা হয়েছে। সরকারি ৪ কোটি টাকা লুটপাট করে আমাদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা হয়েছে।”
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম সুমন দাবি করেন, তিনি ক্যানসার আক্রান্ত ছিলেন এবং কাজটি শেষ করতে পারেননি। তিনি সবার অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করে মুখোমুখি আলোচনার প্রস্তাব দেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ফাইজুল ইসলাম জানান, ঠিকাদারের কাজের মান নিয়ে তারা নিজেরাও অসন্তুষ্ট। স¤প্রতি পরিদর্শনে এসে সংশ্লিষ্ট ডিজিও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “ঠিকাদারকে সব ত্রæটি শুধরে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থ’ায়ী গাইডওয়াল ও বøক না করা পর্যন্ত চূড়ান্ত বিল দেওয়া হবে না। নিয়ম না মানলে আইনগত ব্যবস্থ’া নেওয়া হবে।” এলাকাবাসী দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দ্রæত টেকসই পুনর্র্নিমাণের দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
|---|---|
| সুবহে সাদিক | ভোর ৫:০৪ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৬:২৭ |
| যোহর | দুপুর ১:০৫ |
| আছর | বিকাল ৪:২৮ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৭:৪২ |
| এশা | রাত ৯:০৫ |