
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৪৭৫.৬ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ ১। খায়রুল হাসান আকন (২৯) । ২-শেখ আরিফুল ইসলাম (৪৬) নামের দুইজন ব্যক্তিকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন।
অদ্য ইং ০১/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে ০৯.৪৫ ঘটিকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিং এর নিচ তলায় বাহির গেট উপরোল্লিখিত ব্যক্তিদ্বয় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করেন এবং পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুকৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে এয়ারপোর্ট এপিবিএন ফোর্স তাদেরকে আটক করে।
আটককৃত ব্যক্তিদের শরীর তল্লাশি করলে তাদের হেফাজত হতে সর্বমোট ৪৭৫.৬ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি স্বর্ণালংকার এর মান ২১ ক্যারেট। উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারসমূহের আনুমানিক বাজারমূল্য সর্বমোট ৭৫,৬২,০৪০/- (পঁচাত্তর লক্ষ বাষট্টি হাজার চল্লিশ) টাকা।
ধৃত আসামিদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকারসমূহ বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয়েছে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে। আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন যাবৎ বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।
ধৃত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় ইং ০১/০৯/২০২৬ খ্রি. একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃত আসামিদ্বয় ও অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ পন্থায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ নিয়ে এসে নিজ হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ সালের ২৫বি এর (১)(বি)/২৫-ডি ধারায় অপরাধ করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, “বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বরাবরের মতোই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানের অপতৎপরতা রোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বদ্ধপরিকর। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো চোরাচালান রোধে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
|---|---|
| সুবহে সাদিক | ভোর ৫:২৩ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৬:৪০ |
| যোহর | দুপুর ১২:৫৮ |
| আছর | বিকাল ৪:২৬ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৭:১৭ |
| এশা | রাত ৮:৩৪ |